নিজস্ব প্রতিবেদক:
শুক্রবার ১৯ সেপ্টেম্বর২০২৫ ইং জিএমপি'র পূবাইল থানাধীন ৪১ ওয়ার্ড খিলগাঁও এলাকার আপন ভুবন রিসোর্টে একটি পুজামন্ডব উদ্ যাপন কমিটির নেতাদের সাথে মতবিনিময়ের সময় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক মিলনের হাতে ফুলেল শুভেচ্ছা তুলে দেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত মহানগর আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অমূল্য চন্দ্র দাস।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মর্হুতেই সেই ছবি ভিডিও ভাইরাল হয়। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, অমূল্যের ফুলে মিলন,বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মাঝে চাপা ক্ষোভের আগুন ।
ঘটনার পর তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন, তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা না নিলে দলের অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়বে। গত ১৭ বছরের হামলা মামলা নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীরা এখন হতাশ।
ফেসবুকে স্থানীয় বাসিন্দা ফেরদৌস রহমান লিখেছেন:“এগুলো দলের জন্য বাঁশ।
এবি সিদ্দিক ফেসবুকে লিখেছেন-আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। তদন্ত না হলে আওয়ামী লীগের দোসররা বারবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে।
পূবাইল থানা বিএনপি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, সভাপতি মনির হোসেন সিকদার বকুল, যুগ্ন সম্পাদক জাকির হোসেন সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফ হোসেন, সদস্য সাখাওয়াত হোসেন খান খোকন, এম নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
তৃণমূলের নেতারা স্পষ্ট জানান,আওয়ামী লীগের হাতে মাথা নোয়ানো নয়, আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়ি। সিনিয়র নেতারা কোন স্বার্থে অন্যান্য নেতাদের সামনেই পতিত সরকারের দোসর এবং হত্যা মামলার আসামীকে সভা সমাবেশে ডাকেন বা পাশাপাশি চেয়ারে বসেন।
অমূল্য চন্দ্র দাসের বিতর্কিত অতীত জানা যায়,পূবাইল থানার মিরের বাজারে পুলিশের একটি অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন তিনি। এক সময় বিরোধী নেতা ও কর্মীরা তার অত্যাচারে মামলা হামলার শিকার হয়ে পালিয়ে বেড়িয়েছেন। এবার কিছু বিএনপি নেতা তাকে “মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন”করতে চাইছেন, যা তৃণমূলের ক্ষোভ বাড়াচ্ছে।
প্রশ্ন এখন একটাই নিষিদ্ধ আ'লীগ নেতার ফুলে কেন অপমানিত হলো বিএনপি ? নেতৃত্ব কি হীনমন্যতায় ভুগছে?
তৃণমূলের নেতারা বলেন, অমূল্য প্রসঙ্গে দ্রুত তদন্ত ও শাস্তি ছাড়া দল শক্তিশালী হবে না।
সবার দৃষ্টি এখন এক জায়গায় তারেক রহমানের সিদ্ধান্তে।
পূবাইল থানা বিএনপির সভাপতি মনির হোসেন বকুলকে বিষয়টি জানতে ফোন করলে তিনি রিসিভ করেননি।