শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬, দুপুর ৩:৩২ সময়

ব্রেকিং নিউজ **ছবি: কামরুজ্জামান মোল্লা গাজীপুরে সুজনের সহ-সভাপতির, হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার** **দলমত নির্বিশেষে জাতিকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে চাই: তারেক রহমান দলমত নির্বিশেষে জাতিকে জ্ঞানের আলোয় আলোকিত করতে চাই: তারেক রহমান** **গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে পরিচ্ছন্ন অভিযান, জনবল সংকট নিরসনে উদ্যোগের আশ্বাস এমপি`র গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে পরিচ্ছন্ন অভিযান,জনবল সংকট নিরসনে উদ্যোগের আশ্বাস এমপি`র** **বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেব নিয়োগ পেলেন মোস্তাকুর রহমান বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেব নিয়োগ পেলেন মোস্তাকুর রহমান** **জিসিসি‘র নতুন প্রশাসক শওকত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন জানান ৬মাসের পরিকল্পনা জিসিসি‘র নতুন প্রশাসক শওকত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন জানান ৬মাসের পরিকল্পনা** **আগামী জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হবে ১২ মার্চ ২০২৬ আগামী জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হবে ১২ মার্চ ২০২৬** **ছবি; শওকত হোসেন সরকার বিএনপি‘র মহানগর নেতা থেকে গাসিক প্রশাসক নিয়োগ পেলেন শওকত হোসেন সরকার** **গাজীপুর মহানগর ৩৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এম রতন তানজীম এর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন গাজীপুর মহানগর ৩৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদপ্রার্থী এম রতন তানজীম এর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন** **ছবি; এম রতন তানজীম, ৩৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে প্রার্থী গাজীপুর মহানগরের জনপ্রিয় সাবেক ছাত্রনেতা এম রতন তানজীম ৩৫ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী** **গাজীপুরের চারটি আসনে বিএনপি, একটিতে জামায়াতের জয় গাজীপুরের চারটি আসনে বিএনপি, একটিতে জামায়াতের জয়** **গাজীপুর অংশে ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজট অসহনীয় দূর্ভোগ যাত্রীদের গাজীপুর অংশে ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজট অসহনীয় দূর্ভোগ যাত্রীদের** **গাজীপুরে ভাওয়াল আইডিয়াল একাডেমির বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন গাজীপুরে ভাওয়াল আইডিয়াল একাডেমির বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন** **টঙ্গীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে গাছ পড়ে পথচারী নিহত১, আহত-২ টঙ্গীতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে গাছ পড়ে পথচারী নিহত১, আহত-২** **পতিত সরকারের ১৬ বছরে একনায়কতন্ত্র, ফ্যাসিবাদি কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল; স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পতিত সরকারের ১৬ বছরে একনায়কতন্ত্র, ফ্যাসিবাদি কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল; স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা** **গাজীপুরে অপপ্রচারে মাদক উদ্ধার অভিযানে উৎসাহ হারাচ্ছে ডিবি পুলিশ ! গাজীপুরে অপপ্রচারে মাদক উদ্ধার অভিযানে উৎসাহ হারাচ্ছে ডিবি পুলিশ!** **গাজীপুরে তিন বাহিনী প্রধানের মতবিনিময় গাজীপুরে তিন বাহিনী প্রধানের মতবিনিময়** **এলপিজির নতুন দাম ১৩৫৬ টাকা নির্ধারণ করলো সরকার এলপিজির নতুন দাম ১৩৫৬ টাকা নির্ধারণ করলো সরকার** **ব্রি‘র পদোন্নতি নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম ঘটেনি ;মহাপরিচালক ব্রি‘র পদোন্নতি নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম ঘটেনি ;মহাপরিচালক** **জিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের অভিযানে অস্ত্রসহ গ্রেফতার-১ জিএমপির গোয়েন্দা বিভাগের অভিযানে অস্ত্রসহ গ্রেফতার-১** **গাইবান্ধায় গণউন্নয়ন কেন্দ্রের উদ্যোগে প্রশিক্ষন কোর্সের উদ্বোধন গাইবান্ধায় গণউন্নয়ন কেন্দ্রের উদ্যোগে প্রশিক্ষন কোর্সের উদ্বোধন**

জিএমপি‘র টঙ্গী পূর্ব থানার চৌকস অফিসার শাহিন মোল্লার বদলি শুনে হতাশ সচেতন মহল ।

logoশেখ রাজীব হাসানবৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, রাত ২:৩ সময় 01038
জিএমপি‘র টঙ্গী পূর্ব থানার চৌকস অফিসার শাহিন মোল্লার বদলি শুনে হতাশ সচেতন মহল ।

জিএমপি‘র টঙ্গী পূর্ব থানার চৌকস অফিসার শাহিন মোল্লার বদলি শুনে হতাশ সচেতন মহল ।



শেখ রাজীব হাসান 
গাজীপুর মেট্রো পলিটন পুলিশের টঙ্গী পূর্ব থানার একজন সুদক্ষ চৌকস অফিসারের বদলি হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন টঙ্গী এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা, শ্রমজীবী ও সচেতন মহল। শাহিন মোল্লা পূর্ব থানায় যোগদানের পর থেকে এ যাবত তিনি তার পরিশ্রম ও কর্মদক্ষতায় টঙ্গীর সকল স্তরের মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন। হঠাৎ শাহিন মোল্লার বদলী হয়েছে এমন সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে টঙ্গীসহ আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। টঙ্গীতে সংগঠিত সকল অপরাধ ও অপকর্ম নির্মূলে এস আই শাহিন মোল্লার সাহসী পদক্ষেপ কখনো ভোলার যাবে না। সকলের মনে স্থান করা এমন সাহসী অফিসারের চলে যাওয়ার বিষয় কেউ মেনে নিতে পারছে না। শাহিন মোল্লাকে টঙ্গী পূর্ব থানায় বহাল রাখার জন্য জি এম পি কমিশনারের নিকট জোড় অনুরোধ জানিয়েছে টঙ্গীবাসী।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, টঙ্গী পূর্ব থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) শাহীন মোল্লা যোগদানের পর থেকে থানার গুরুত্বপূর্ণ ক্লুলেস হত্যা, ডাকাতি, ধর্ষণের মতো মামলার রহস্য উদঘাটনসহ বিভিন্ন ধরনের মামলায় জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করতে সক্ষম হয়েছে। জানা যায় ২০১৮সন থেকে ২০১৯ সনের গুরুত্বপূর্ণ ১৫টি মামলার মূল ঘটনা উদঘাটনসহ টঙ্গী এলাকার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে নিরলস ভুমিকা পালন করেছেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর চৌকস সদস্য শাহিন মোল্লা।
এছাড়াও চৌকস অফিসার শাহিন মোল্লা তার দক্ষতায় টঙ্গী এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান মদ, বিয়ার ও ইয়াবা উদ্ধার করেছেন। তার বদলির সময় পুর্ন হওয়ার আগে টঙ্গী পূর্ব থানা থেকে অন্যত্র বদলি হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা দুঃখ প্রকাশ করছেন। 
এস আই মোঃ শাহিন মোল্লার উল্যেখযোগ্য প্রশংসনীয় কার্যক্রমের কিছু ধারাবাহিক ভাবে দেওয়া হলো- 
১। টঙ্গী পূর্ব থানাধীন মরকুন এলাকায় অজ্ঞাত লোকজন লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়া ক্লুলেস মামলা আমলে নিয়ে রহস্য উতঘাটন করেন এবং ২ জন আসামিকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করেন। 
২। ব্যাংকের মাঠ বস্তির মাদক সম্রাট একাধিক (৭) মামলার পলাতক ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি রিপন (৪৮)কে ৩০০ পিচ ইয়াবা সহ গ্রেফতার। 
৩। টঙ্গী বাজার ভরান এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া ২১০০ পিচ ইয়াবাসহ শাহীন ও হোসেন নামের দুইজন কে গ্রেফতার তাদের বস সাইফুলকেসহ অনেকের বিরোদ্ধে মামলা দায়ের করেন। 
৪। টঙ্গী পূর্ব থানার দত্তপাড়া এলাকায় নুতন করে মাফিয়া পাপিয়া খ্যাত শিল্পি গ্রæপের অত্যাচারে অতিষ্ঠিত অত্র এলাকার নিরীহ জনগন। গত০২.০৭.২০২০তাং অভিনব কৌশলে কথিত চুরির অপবাদ সাজিয় ০৩ জনকে অপহরন করে ০৯ দিন আটক রেখে অপহৃতদের মোবাইল ও টাকা লুন্ঠন করে নেয় এবং মুক্তিপন বাবদ ৩০০.০০০- টাকা দাবী করে। ০৯ দিনপর অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে মামলা । অবশেষে অপহৃত ০৩ জনকে আসামী শিল্পি আক্তারের সকল বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শিল্পি আক্তরের একটি বাড়ী থেকে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করিয়া উদ্ধার করি। ঘটনায় জরিত আসামী শিল্প আক্তারের সহচর শিল্পী আক্তারের ভাই মুন্নাকে গ্রেফতারসহ মামলার তদন্তে প্রাপ্ত মামলার ঘটনয় জড়িত সক্রিয় আসামী শিল্পি আক্তার @ এরশাদনগরের শিল্পি (৩০) কে অদ্য রাত ২১.৪৫ ঘটিকায় অত্র মামলার ০১ নং আসামী শিল্পি আক্তার ( ৪০)@ টঙ্গীর পাপিয়া খ্যাত শিল্পির সাথে কথপোকথন এর সময় দত্তপাড়া হাসান লেন থেকে গ্রেফতার করা হয়। মামলা নং ১৮(৭)২০২০ ধারা- ৩৬৫/৩৮৬/৩৮৭/৩২৩/৫০৬ পেনাল কোড।
৫। বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে একটি এলিয়ন প্রাইভেটকারের মধ্যে থাকা ২৪০ ক্যান বিয়ারসহ ০১ জন আসামীকে গ্রেফতার।
৬। টঙ্গী বাজার একটি ওয়ালটন শোরুমে একজন প্রবাসী কে মেরে ফ্রিজে রেখে কালিয়াকৈর থানা এলাকায় একটি ডোবায় ফ্রিজ সহ লাশ ফেলে দেয়া ক্লুলেস মামলাটি ও আমলে নিয়ে তিনজন আসামি কে আটক করেন এস আই মোঃ শাহিন মোল্লা।। 
৭। বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া টঙ্গী চেরাগ আলী এলাকা থেকে বাবুকে ২৫০ পিচ ও সোনিকে ৫০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট মোট ৩০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ জনকে গ্রেফতার করিয়া পলাতক আসামী সাইফুলকে গ্রেফতার অভিযান।
৮। আরিচপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ৭০ পিচ ইয়াবাসহ কিতাব আলী, জনি,পেঁচা শরিফও শ্রী বাবুকে গ্রেফতার ।
৯। টঙ্গী বাজার এলাকা থেকে ১৪ শ’ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ হৃদয় ওরফে দ্বীন ইসলাম ও সাইদুর ইসলাম নামে দুই চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার। 
১০। টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের সামনে মাত্র ৮০০ শত টাকার জন্য ছুরিকাঘাতে খুন হওয়া ইয়াছিন (২৫) হত্যার মতো ক্লুলেস মামলার মূল হোতা খলিল(৩৮) কে আটক।
১১। দত্তপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া মিনু বেগম(৪০), স্বামী মিলন হোসেন, কে দুই বোতল বিদেশি মদ এবং বাইশ ক্যান বিয়ারসহ আটক। 
১২। থানা এলাকায় মুক্তিপন আদায়ের জন্য কামরুজ্জামান নামে এক ব্যাক্তিকে অপরহন ও আড়াই লক্ষ টাকা মুক্তপন দাবী করে সারা রাত মারধর করে। এক পর্যায়ে ভোর বেলা ভকটিমের চিৎকারে ¯’ানীয় সূত্রে সংবাদ প্রাপ্তি হয়ে না ঘুমিয়ে টঙ্গী ভরান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিম কামরুজ্জামানকে উদ্ধার করি এবং ঘটনায় জড়িত ০৩ জন আসামীকে গ্রেফতার। অপর একজন আসামী পালিয়ে যায় । এ ঘটনায় ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে অত্র থানায় মামলা দায়ের করেন মামলা নং ০৮(০৬)০৬, ধারা ৩২৩/৩৭৯/ ৩৬৫/ ৫০৬ পেনাল কোড দায়ের করে।পলাতক আসামীকে গ্রেফতার অভিযান অব্যহত।
১৩। টঙ্গি পূর্ব থানার ক্লুলেস ডাকাতি মামলা নং ৪১(৩)২০ ধারা ৩৯৫/৩৯৭ দ :বি। ঢাকা - ময়মনসিংহ মহাসড়কের এরসাদনগর এলাকায় সংঘঠিত ডাকাতি মামলার রহস্য উদঘাটন করে মোট ১০ জন ডাকাত গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। ০৬ জন আসামি কা: বি: ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী প্রদান করে। ডাকাতরা সর্ব মোট ১৫/১৬ জন ছিল। তাদের মধ্যে যিনি গডফাদার ছিল , যার ভয়ে, যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ এলাকার জনসাধারণ সেই রাসেল যে টঙ্গী এরশাদনগরের সকল প্রকার অপরাধ জগতের ডন। মাদক সম্রাজ্য, ডাকাতি, দস্যুতা, চাদাবাজীসহ অনেক অপরাধের সম্রাট। তার নামেই সাধারন মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করে। টঙ্গীপূর্ব থানার মামলা নং ৪১(৩)২০ ধারা ৩৯৫/৩৯৭। রাসেলের বাসা থেকেই ডাকাতদের ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত অস্ত্রপাতি সরবারহ করা হতো এবং লুন্ঠিত মালামলের - টাকা পয়সার ভাগবটোয়ারা করা হতো। সে শফিকুলের মেয়ে জামাই এবং এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় সকলেই তাকে ভয় পেত। তার সম্পর্কে কেউ কোন তথ্য কোনদিন দেওয়ার সাহস পেতনা । তাকে গ্রফতার করায় এলাকার মানুষের মধ্যে শস্তি ফিরে এসেছে বলে অনেকে ফোন করে শাহিন মোল্লাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
১৪। এরশাদনগর টঙ্গীর ত্রাস ডাকাত ফালান ও ডাকাত মনির @ চোর মনির , ডাকু রমজান , শান্ত , রেজাউল , সোহান , সাইদুল, গার্ড রফিক , আসাদ যারা বোর্ড বাজার , গাজীপুর, এরশাদনগর ও কলেজগেট এলাকায় প্রতিদিন ডাকাতি সংঘঠন করে সাধারণ মানুষ ও থানা পুলিশকে অতিষ্ঠিত করে তোলে । টঙ্গী পূর্ব থানার মামলা নং ৪১(৩)২০২০ ধারা- ৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড এর ঘটনার সাথে জড়িত উক্ত আসামীদেরসহ অত্র ঘটনার নেতৃত্ব প্রদানকারী ডাকাত ফালান ও মনির @ চোর মনিরদের ঢাকার দক্ষিণখান থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন । অতপর: তাদের তথ্য মতো আসাদকে গ্রেফতার করে তাদের দেখানো ও সনাক্তমতে রাসেলের বাসা থেকে ০২টি সুইচ গিয়ার ও ০২ টি চাপাতি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কা: বি: ১৬৪ ধারা মোতাবেক আদালতে স্বীকারাক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে ক্লুলেস ডাকাতি মামলার ১০ জন ঘটনার সহিত জড়িত আসামী গ্রেফতার করেন।
১৫। জি ডি মূলে হারানো মোবাইল উদ্ধার করে এসি স্যারের মাধ্যমে মোবাইলের প্রকৃত মালিক ডাক্তারী পরুয়া ছাত্রীকে ফিরিয়ে দেন এস আই শাহিন মোল্লা।
১৬। ডাকাতির প্রস্তুতিকালে এরশাদনগর এলাকা থেকে ১। এরশাদ নগর ৫ নং ব্লক এলাকার শান্তি মিয়ার ছেলে মোঃ আনাস (২০),২। ২নং বøক এলাকার মৃত শহিদুল্লার ছেলে মোঃ রিপন (৩০) ৩। ৭ নং বøক এলাকার মৃত তাহের মিয়ার ছেলে মোঃ শফিকুল ইসলাম ৪।দত্তপারা আচারপট্টি এলাকার সিরাজ শিকদার এর ছেলে বিজয় (২১) নামে ৪ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের কাছ থেকে একটি রামদা, দুইটি ছুরি ও একটি ভারী লোহার পাইপ জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় টঙ্গী পূর্ব থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক টঙ্গী পূর্ব থানার চৌকস অফিসার শাহিন মোল্লার বদলি শুনে হতাশ সচেতন মহল
শেখ রাজীব হাসান,গাজীপুর প্রতিনিধিঃ গাজীপুর মেট্রো পলিটন পুলিশের টঙ্গী পূর্ব থানার একজন সুদক্ষ চৌকস অফিসারের বদলি হওয়ায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন টঙ্গী এলাকার ¯’ানীয় বাসিন্দা, শ্রমজীবী ও সচেতন মহল। শাহিন মোল্লা পূর্ব থানায় যোগদানের পর থেকে এ যাবত তিনি তার পরিশ্রম ও কর্মদক্ষতায় টঙ্গীর সকল স্তরের মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন। হঠাৎ শাহিন মোল্লার বদলী হয়েছে এমন সংবাদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে টঙ্গীসহ আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। টঙ্গীতে সংগঠিত সকল অপরাধ ও অপকর্ম নির্মূলে এস আই শাহিন মোল্লার সাহসী পদক্ষেপ কখনো ভোলার যাবে না। সকলের মনে ¯’ান করা এমন সাহসী অফিসারের চলে যাওয়ার বিষয় কেউ মেনে নিতে পারছে না। শাহিন মোল্লাকে টঙ্গী পূর্ব থানায় বহাল রাখার জন্য জি এম পি কমিশনারের নিকট জোড় অনুরোধ জানিয়েছে টঙ্গীবাসী।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা যায়, টঙ্গী পূর্ব থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এস আই) শাহীন মোল্লা যোগদানের পর থেকে থানার গুরুত্বপূর্ণ ক্লুলেস হত্যা, ডাকাতি, ধর্ষণের মতো মামলার রহস্য উদঘাটনসহ বিভিন্ন ধরনের মামলায় জড়িত আসামীদের গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করতে সক্ষম হয়েছে। জানা যায় ২০১৮সন থেকে ২০১৯ সনের গুরুত্বপূর্ণ ১৫টি মামলার মূল ঘটনা উদঘাটনসহ টঙ্গী এলাকার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে নিরলস ভুমিকা পালন করেছেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর চৌকস সদস্য শাহিন মোল্লা।
এছাড়াও চৌকস অফিসার শাহিন মোল্লা তার দক্ষতায় টঙ্গী এলাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান মদ, বিয়ার ও ইয়াবা উদ্ধার করেছেন। তার বদলির সময় পুর্ন হওয়ার আগে টঙ্গী পূর্ব থানা থেকে অন্যত্র বদলি হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা দুঃখ প্রকাশ করছেন। 
এস আই মোঃ শাহিন মোল্লার উল্যেখযোগ্য প্রশংসনীয় কার্যক্রমের কিছু ধারাবাহিক ভাবে দেওয়া হলো- 
১। টঙ্গী পূর্ব থানাধীন মরকুন এলাকায় অজ্ঞাত লোকজন লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়া ক্লুলেস মামলা আমলে নিয়ে রহস্য উতঘাটন করেন এবং ২ জন আসামিকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করেন। 
২। ব্যাংকের মাঠ বস্তির মাদক সম্রাট একাধিক (৭) মামলার পলাতক ওয়ারেন্টভূক্ত আসামি রিপন (৪৮)কে ৩০০ পিচ ইয়াবা সহ গ্রেফতার। 
৩। টঙ্গী বাজার ভরান এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া ২১০০ পিচ ইয়াবাসহ শাহীন ও হোসেন নামের দুইজন কে গ্রেফতার তাদের বস সাইফুলকেসহ অনেকের বিরোদ্ধে মামলা দায়ের করেন। 
৪। টঙ্গী পূর্ব থানার দত্তপাড়া এলাকায় নুতন করে মাফিয়া পাপিয়া খ্যাত শিল্পি গ্রæপের অত্যাচারে অতিষ্ঠিত অত্র এলাকার নিরীহ জনগন। গত০২.০৭.২০২০তাং অভিনব কৌশলে কথিত চুরির অপবাদ সাজিয় ০৩ জনকে অপহরন করে ০৯ দিন আটক রেখে অপহৃতদের মোবাইল ও টাকা লুন্ঠন করে নেয় এবং মুক্তিপন বাবদ ৩০০.০০০- টাকা দাবী করে। ০৯ দিনপর অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে মামলা । অবশেষে অপহৃত ০৩ জনকে আসামী শিল্পি আক্তারের সকল বাড়িতে অভিযান চালিয়ে শিল্পি আক্তরের একটি বাড়ী থেকে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করিয়া উদ্ধার করি। ঘটনায় জরিত আসামী শিল্প আক্তারের সহচর শিল্পী আক্তারের ভাই মুন্নাকে গ্রেফতারসহ মামলার তদন্তে প্রাপ্ত মামলার ঘটনয় জড়িত সক্রিয় আসামী শিল্পি আক্তার @ এরশাদনগরের শিল্পি (৩০) কে অদ্য রাত ২১.৪৫ ঘটিকায় অত্র মামলার ০১ নং আসামী শিল্পি আক্তার ( ৪০)@ টঙ্গীর পাপিয়া খ্যাত শিল্পির সাথে কথপোকথন এর সময় দত্তপাড়া হাসান লেন থেকে গ্রেফতার করা হয়। মামলা নং ১৮(৭)২০২০ ধারা- ৩৬৫/৩৮৬/৩৮৭/৩২৩/৫০৬ পেনাল কোড।
৫। বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে একটি এলিয়ন প্রাইভেটকারের মধ্যে থাকা ২৪০ ক্যান বিয়ারসহ ০১ জন আসামীকে গ্রেফতার।
৬। টঙ্গী বাজার একটি ওয়ালটন শোরুমে একজন প্রবাসী কে মেরে ফ্রিজে রেখে কালিয়াকৈর থানা এলাকায় একটি ডোবায় ফ্রিজ সহ লাশ ফেলে দেয়া ক্লুলেস মামলাটি ও আমলে নিয়ে তিনজন আসামি কে আটক করেন এস আই মোঃ শাহিন মোল্লা।। 
৭। বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া টঙ্গী চেরাগ আলী এলাকা থেকে বাবুকে ২৫০ পিচ ও সোনিকে ৫০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট মোট ৩০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ জনকে গ্রেফতার করিয়া পলাতক আসামী সাইফুলকে গ্রেফতার অভিযান।
৮। আরিচপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ৭০ পিচ ইয়াবাসহ কিতাব আলী, জনি,পেঁচা শরিফও শ্রী বাবুকে গ্রেফতার ।
৯। টঙ্গী বাজার এলাকা থেকে ১৪ শ’ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ হৃদয় ওরফে দ্বীন ইসলাম ও সাইদুর ইসলাম নামে দুই চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার। 
১০। টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের সামনে মাত্র ৮০০ শত টাকার জন্য ছুরিকাঘাতে খুন হওয়া ইয়াছিন (২৫) হত্যার মতো ক্লুলেস মামলার মূল হোতা খলিল(৩৮) কে আটক।
১১। দত্তপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করিয়া মিনু বেগম(৪০), স্বামী মিলন হোসেন, কে দুই বোতল বিদেশি মদ এবং বাইশ ক্যান বিয়ারসহ আটক। 
১২। থানা এলাকায় মুক্তিপন আদায়ের জন্য কামরুজ্জামান নামে এক ব্যাক্তিকে অপরহন ও আড়াই লক্ষ টাকা মুক্তপন দাবী করে সারা রাত মারধর করে। এক পর্যায়ে ভোর বেলা ভকটিমের চিৎকারে স্থানীয় সূত্রে সংবাদ প্রাপ্তি হয়ে না ঘুমিয়ে টঙ্গী ভরান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিম কামরুজ্জামানকে উদ্ধার করি এবং ঘটনায় জড়িত ০৩ জন আসামীকে গ্রেফতার। অপর একজন আসামী পালিয়ে যায় । এ ঘটনায় ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে অত্র থানায় মামলা দায়ের করেন মামলা নং ০৮(০৬)০৬, ধারা ৩২৩/৩৭৯/ ৩৬৫/ ৫০৬ পেনাল কোড দায়ের করে।পলাতক আসামীকে গ্রেফতার অভিযান অব্যহত।
১৩। টঙ্গি পূর্ব থানার ক্লুলেস ডাকাতি মামলা নং ৪১(৩)২০ ধারা ৩৯৫/৩৯৭ দ :বি । ঢাকা - ময়মনসিংহ মহাসড়কের এরসাদনগর এলাকায় সংঘঠিত ডাকাতি মামলার রহস্য উদঘাটন করে মোট ১০ জন ডাকাত গ্রেফতার করে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। ০৬ জন আসামি কা: বি: ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী প্রদান করে। ডাকাতরা সর্ব মোট ১৫/১৬ জন ছিল। তাদের মধ্যে যিনি গডফাদার ছিল , যার ভয়ে, যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ এলাকার জনসাধারণ সেই রাসেল যে টঙ্গী এরশাদনগরের সকল প্রকার অপরাধ জগতের ডন। মাদক সম্রাজ্য, ডাকাতি, দস্যুতা, চাদাবাজীসহ অনেক অপরাধের সম্রাট। তার নামেই সাধারন মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করে। টঙ্গীপূর্ব থানার মামলা নং ৪১(৩)২০ ধারা ৩৯৫/৩৯৭। রাসেলের বাসা থেকেই ডাকাতদের ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত অস্ত্রপাতি সরবারহ করা হতো এবং লুন্ঠিত মালামলের - টাকা পয়সার ভাগবটোয়ারা করা হতো। সে শফিকুলের মেয়ে জামাই এবং এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় সকলেই তাকে ভয় পেত। তার সম্পর্কে কেউ কোন তথ্য কোনদিন দেওয়ার সাহস পেতনা । তাকে গ্রফতার করায় এলাকার মানুষের মধ্যে শস্তি ফিরে এসেছে বলে অনেকে ফোন করে শাহিন মোল্লাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
১৪। এরশাদনগর টঙ্গীর ত্রাস ডাকাত ফালান ও ডাকাত মনির @ চোর মনির , ডাকু রমজান , শান্ত , রেজাউল , সোহান , সাইদুল, গার্ড রফিক , আসাদ যারা বোর্ড বাজার , গাজীপুর, এরশাদনগর ও কলেজগেট এলাকায় প্রতিদিন ডাকাতি সংঘঠন করে সাধারণ মানুষ ও থানা পুলিশকে অতিষ্ঠিত করে তোলে । টঙ্গী পূর্ব থানার মামলা নং ৪১(৩)২০২০ ধারা- ৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড এর ঘটনার সাথে জড়িত উক্ত আসামীদেরসহ অত্র ঘটনার নেতৃত্ব প্রদানকারী ডাকাত ফালান ও মনির @ চোর মনিরদের ঢাকার দক্ষিণখান থানা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেন । অতপর: তাদের তথ্য মতো আসাদকে গ্রেফতার করে তাদের দেখানো ও সনাক্তমতে রাসেলের বাসা থেকে ০২টি সুইচ গিয়ার ও ০২ টি চাপাতি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। তারা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কা: বি: ১৬৪ ধারা মোতাবেক আদালতে স্বীকারাক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে ক্লুলেস ডাকাতি মামলার ১০ জন ঘটনার সহিত জড়িত আসামী গ্রেফতার করেন।
১৫। জি ডি মূলে হারানো মোবাইল উদ্ধার করে এসি স্যারের মাধ্যমে মোবাইলের প্রকৃত মালিক ডাক্তারী পরুয়া ছাত্রীকে ফিরিয়ে দেন এস আই শাহিন মোল্লা।
১৬। ডাকাতির প্র¯‘তিকালে এরশাদনগর এলাকা থেকে ১। এরশাদ নগর ৫ নং বøক এলাকার শান্তি মিয়ার ছেলে মোঃ আনাস (২০),২। ২নং বøক এলাকার মৃত শহিদুল্লার ছেলে মোঃ রিপন (৩০) ৩। ৭ নং ব্লক এলাকার মৃত তাহের মিয়ার ছেলে মোঃ শফিকুল ইসলাম ৪।দত্তপারা আচারপট্টি এলাকার সিরাজ শিকদার এর ছেলে বিজয় (২১) নামে ৪ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের কাছ থেকে একটি রামদা, দুইটি ছুরি ও একটি ভারী লোহার পাইপ জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় টঙ্গী পূর্ব থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক – এসআই শাহীন মোল্লা জানান, দীর্ঘদিন যাবত এই চক্রটি এরশাদনগর ও এর আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপরাধ ও আসামাজিক কার্যকলাপের করে আসছে। এদের নামে থানায় একাধীক মামলা রয়েছে। 
১৭। টঙ্গীর মধ্য আরিচপুর এলাকা থেকে ১। মোঃ নুরউদ্দিন (২৫), পিতা- আবুল বাসার, ২। মোঃ দুলাল (৩২) ও ৩। মোঃ রায়হান, নামে  ছিনতাইকারী চক্রের তিনজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেন শাহিন মোল্লা। এদের মধ্যে নুরউদ্দিন ও দুলাল মধুমিতা এলাকার ভাড়াটিয়া (ভাসমান) এবং রায়হান এরশাদনগর এলাকায় বসবাস করে। এসময় তাদের কাছ থেকে দুইটি দাড়ালো রাম দা ও একটি বড় স্টিলের চাপাতি উদ্ধার করা হয়।
১৮। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকের মাধ্যমে সম্পর্কের সৃষ্টি হয় নোয়াখালী জেলার যমুনা রানী ও গাজীপুরের তারগাছ এলাকার টেইলাস দোকানদার সুজন চন্দ্র দাস উরফে গোকুলের। কিছুদিনের মধ্যেই এই সম্পর্ক প্রেমের আকার ধারণ করে। বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করাব প্রতিশ্রæতি দিয়ে সুজন মেয়েটিকে আরো পাগল করে তুলল। পরিশেষে মেয়েটি ভালোবাসার টানে সুদূর নোয়াখালী থেকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন গাছা থানার তারগাছ এলাকায় চলে আসে প্রেমিক সুজনের কাছে। সুজন তাকে সে ভালবাসার প্রতিদান স্বরূপ পাঠিয়ে দিল না ফেরার দেশে। ঐদিনই সুজন খাবারের সাথে কিছু মিশিয়ে অচেতন করে যমুনা রানীকে। পরে লোক দেখানোর জন্য যমুনা রাণী দাসকে গাড়ীতে করে (গাড়ীর নাম্বারঃ ঢাকা মেট্রো গ – ১১.১৯) তারগাছ এলাকার তাইরুন্নেছা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসারত ডাক্তার যমুনাকে মৃত ঘোষনা করে। পরে সুজন ও গাড়ীর ড্রাইভার নাইম যোগসাজেসে মরকুন বেপারীপাড়া এলাকার নিকট¯’ সালাউদ্দিন সরকারের বালুর মাঠে যমুনার লাশ ফেলে চলে যায়। অতঃপর আসামীরা নিশ্চিন্তে পারি জমায় নোয়াখালী ও পটুয়াখালী , রাংগাবালী তারপর বরগুনার আমতলী উপজেলায়। লাশ ফেলে রেখে যায় অচেনা বালুর মাঠে। ভাবা যায় কোন ক্লু নেই ‘কেউ কোনদিন বুজতেই পারবেনা। কে জানতো কিভাবে সুজনের হাতে হাত করা পরবে। এখন সে গ্রেফতার আর আসমানে গর্জন জমিনে ক্রন্দন কে দেখে তার। খুবই চতুর বর্নবাদী অল্প সময়েই নিজেকে সামলে নিয়ে অন্যরূপ ধারন করে এরুপ সুজনেরা। বরগুনার আমতলী উপজেলা থেকে সুজনকে গ্রেফতার করেন শাহিন মোল্লা আর এখন সময়ের পরিসরে সকল সত্য স্বীকার করলো সুজন।
১৯। অপহরন করে খুন করার ভীতি প্রদর্শন করে ০৩ দিন আটক করে রাখে। পরবর্তীতে ভিক্টিমের মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে আসামীর অব¯’ান সনাক্ত করে ঢাকার নর্দা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে জিজিজ্ঞাসাবাদ করেন শাহিন মোল্লা। আসামী বিজ্ঞ আদালতে কা: বি: আইনের ১৬৪ ধারা অনুযায়ী স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ০৫ দিন পর ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার তেজগাঁও ঢাকা থেকে ভিকটিম কে উদ্ধার করা হয়।
২০। অপহরন করে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে ৭০০০০/- টাকা মুক্তিপন দাবী এবং ১০০০০/- টাকা গ্রহণ । অতঃপর০৩ দিন পর অত্র মামলা দায়ের এবং তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মামলার আসামী সনাক্ত করে হাতে নাতে বিকাশের টাকা গ্রহণ করার সময় ০২ জন আসামীকে গ্রেফতার করেন শাহিন মোল্লা। তাদের সনাক্ত ও দেখানো মতে মামলার ভিকটিম আতিক কে উদ্ধার করে মেডিকেলে ভর্তি করেন শাহিন মোল্লা।
২১। টঙ্গী পূর্ব থানার মামলা নং ৪৬(১২)১৯ ধারা-৩৬৪/৩৪ ।অপহরন করে খুন করে লাশ গুম করে আসামীরা নিশ্চিন্তে ছিল। ভাবতেই পারেনি কোনদিন কেউ তাদের সনাক্ত করতে পারবে । কারন তারা কোন ধরনের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে নাই। নিজেদের লোক আকাল করে যাবতীয় কার্যকলাপ সম্পন্ন করে। এটিএম বুথে গিয়ে ও মুখোশ ব্যবহার করে টাকা উত্তোলন করে। অতঃপর সেই ক্লুলেস মামলার মূল হোতা সহ ০২ জনকে গ্রেফতার করেন শাহিন মোল্লা ।
এছাড়া শিশু অপহরণ,ডাকাত, ছিনতাইকারী , হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার,মাদক ব্যবসায়ী আটক সহ অসংখ্য সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এস আই মোঃ শাহিন মোল্লা।
এসআই শাহীন মোল্লা জানান, দীর্ঘদিন যাবত এই চক্রটি এরশাদনগর ও এর আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অপরাধ ও আসামাজিক কার্যকলাপের করে আসছে। এদের নামে থানায় একাধীক মামলা রয়েছে। 
১৭। টঙ্গীর মধ্য আরিচপুর এলাকা থেকে ১। মোঃ নুরউদ্দিন (২৫), পিতা- আবুল বাসার, ২। মোঃ দুলাল (৩২) ও ৩। মোঃ রায়হান, নামে  ছিনতাইকারী চক্রের তিনজন সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেন শাহিন মোল্লা। এদের মধ্যে নুরউদ্দিন ও দুলাল মধুমিতা এলাকার ভাড়াটিয়া (ভাসমান) এবং রায়হান এরশাদনগর এলাকায় বসবাস করে। এসময় তাদের কাছ থেকে দুইটি দাড়ালো রাম দা ও একটি বড় স্টিলের চাপাতি উদ্ধার করা হয়।
১৮। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইজবুকের মাধ্যমে সম্পর্কের সৃষ্টি হয় নোয়াখালী জেলার যমুনা রানী ও গাজীপুরের তারগাছ এলাকার টেইলাস দোকানদার সুজন চন্দ্র দাস উরফে গোকুলের। কিছুদিনের মধ্যেই এই সম্পর্ক প্রেমের আকার ধারণ করে। বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করাব প্রতিশ্রæতি দিয়ে সুজন মেয়েটিকে আরো পাগল করে তুলল। পরিশেষে মেয়েটি ভালোবাসার টানে সুদূর নোয়াখালী থেকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন গাছা থানার তারগাছ এলাকায় চলে আসে প্রেমিক সুজনের কাছে। সুজন তাকে সে ভালবাসার প্রতিদান স্বরূপ পাঠিয়ে দিল না ফেরার দেশে। ঐদিনই সুজন খাবারের সাথে কিছু মিশিয়ে অচেতন করে যমুনা রানীকে। পরে লোক দেখানোর জন্য যমুনা রাণী দাসকে গাড়ীতে করে (গাড়ীর নাম্বারঃ ঢাকা মেট্রো গ – ১১.১৯) তারগাছ এলাকার তাইরুন্নেছা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসারত ডাক্তার যমুনাকে মৃত ঘোষনা করে। পরে সুজন ও গাড়ীর ড্রাইভার নাইম যোগসাজেসে মরকুন বেপারীপাড়া এলাকার নিকট¯’ সালাউদ্দিন সরকারের বালুর মাঠে যমুনার লাশ ফেলে চলে যায়। অতঃপর আসামীরা নিশ্চিন্তে পারি জমায় নোয়াখালী ও পটুয়াখালী , রাংগাবালী তারপর বরগুনার আমতলী উপজেলায়। লাশ ফেলে রেখে যায় অচেনা বালুর মাঠে। ভাবা যায় কোন ক্লু নেই ‘কেউ কোনদিন বুজতেই পারবেনা। কে জানতো কিভাবে সুজনের হাতে হাত করা পরবে। এখন সে গ্রেফতার আর আসমানে গর্জন জমিনে ক্রন্দন কে দেখে তার। খুবই চতুর বর্নবাদী অল্প সময়েই নিজেকে সামলে নিয়ে অন্যরূপ ধারন করে এরুপ সুজনেরা। বরগুনার আমতলী উপজেলা থেকে সুজনকে গ্রেফতার করেন শাহিন মোল্লা আর এখন সময়ের পরিসরে সকল সত্য স্বীকার করলো সুজন।
১৯। অপহরন করে খুন করার ভীতি প্রদর্শন করে ০৩ দিন আটক করে রাখে। পরবর্তীতে ভিক্টিমের মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে আসামীর অব¯’ান সনাক্ত করে ঢাকার নর্দা এলাকা থেকে গ্রেফতার করে জিজিজ্ঞাসাবাদ করেন শাহিন মোল্লা। আসামী বিজ্ঞ আদালতে কা: বি: আইনের ১৬৪ ধারা অনুযায়ী স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ০৫ দিন পর ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার তেজগাঁও ঢাকা থেকে ভিকটিম কে উদ্ধার করা হয়।
২০। অপহরন করে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে ৭০০০০/- টাকা মুক্তিপন দাবী এবং ১০০০০/- টাকা গ্রহণ । অতঃপর০৩ দিন পর অত্র মামলা দায়ের এবং তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মামলার আসামী সনাক্ত করে হাতে নাতে বিকাশের টাকা গ্রহণ করার সময় ০২ জন আসামীকে গ্রেফতার করেন শাহিন মোল্লা। তাদের সনাক্ত ও দেখানো মতে মামলার ভিকটিম আতিক কে উদ্ধার করে মেডিকেলে ভর্তি করেন শাহিন মোল্লা।
২১। টঙ্গী পূর্ব থানার মামলা নং ৪৬(১২)১৯ ধারা-৩৬৪/৩৪ ।অপহরন করে খুন করে লাশ গুম করে আসামীরা নিশ্চিন্তে ছিল। ভাবতেই পারেনি কোনদিন কেউ তাদের সনাক্ত করতে পারবে । কারন তারা কোন ধরনের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে নাই। নিজেদের লোক আকাল করে যাবতীয় কার্যকলাপ সম্পন্ন করে। এটিএম বুথে গিয়ে ও মুখোশ ব্যবহার করে টাকা উত্তোলন করে। অতঃপর সেই ক্লুলেস মামলার মূল হোতা সহ ০২ জনকে গ্রেফতার করেন শাহিন মোল্লা ।
এছাড়া শিশু অপহরণ,ডাকাত, ছিনতাইকারী , হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার,মাদক ব্যবসায়ী আটক সহ অসংখ্য সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন এস আই মোঃ শাহিন মোল্লা।

বিষয়- প্রশাসন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়,

মন্তব্য


মন্তব্য করতে হলে লগইন করুন অথবা নতুন হলে রেজিস্ট্রেশন করুন

এই বিভাগের আরও খবর


আইটি সম্পাদকঃ সুকান্ত ধর